নরসিংদীতে আদালতের মালখানা থেকে ৯৬ কেজি গাঁজা বিক্রির ঘটনায় পুলিশের দুই পরিদর্শক ও এক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন কোর্ট পরিদর্শক খন্দকার জাকির হোসেন, জেলা গোয়েন্দা পরিদর্শক এস এম কামরুজ্জামান এবং এক ম্যাজিস্ট্রেট।
৫ ফেব্রুয়ারি শিবপুর থেকে ৯৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হলেও, তা আদালতে না পাঠিয়ে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মায়ার কাছে সাড়ে নয় লাখ টাকায় বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১১ মার্চ কাগজে-কলমে মাদক ধ্বংসের ভুয়া নথি তৈরি করা হয়। অভিযোগ ওঠার পর পুলিশের দুই পরিদর্শককে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয় এবং পরে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি কামরুজ্জামান তাকে টাকা নিতে বাধ্য করতে চেয়েছিলেন এবং হুমকি দেন। অন্যদিকে, সদ্য বিদায়ী ওসি দাবি করেন, এসপির নির্দেশেই এসব করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহকে প্রধান করে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।