
নরসিংদী—from ancient times—has long been recognized as an active earthquake-prone region. বিশেষ করে উয়ারী–বটেশ্বর, পলাশ ও ঘোড়াশাল এলাকায় অতীতে ভয়াবহ ভূকম্পনের ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে। গবেষকদের মতে, এসব অঞ্চল সমতল ভূমির তুলনায় খানিকটা উঁচুতে অবস্থিত এবং ভূগর্ভে থাকা টেকটনিক প্লেটগুলো সিলেটের প্লেট সিস্টেম ও ভারতের শিলং অঞ্চলের প্লেটের সঙ্গে সংযুক্ত।
ভূতাত্ত্বিকদের পর্যবেক্ষণ বলছে—উয়ারী–বটেশ্বর প্রাচীন নগরীর ধ্বংসের অন্যতম কারণ ছিল ধারাবাহিক ভূমিকম্প। হাজার বছর আগে এই এলাকায় বড় ধরনের কম্পন ঘনঘন হতো, যার সাক্ষ্য মেলে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে।
ইতিহাস বলছে, ১৮৯৭ সালের ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রভাবে ঘোড়াশাল এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর গতিপথ পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই নরসিংদীকে ভূমিকম্প ঝুঁকির বিশেষ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন—নরসিংদীতে ভূমিকম্প হওয়া নতুন কিছু নয়। বরং ভবিষ্যতে আরও বড় মাত্রার ভূকম্পন ঘটতে পারে—এমন সতর্কবার্তাও দিচ্ছেন তারা। তবে শেষ কথা, বাকিটা জানা আছে মহান আল্লাহই।
নরসিংদীর অতীতই আজ সতর্ক করছে ভবিষ্যৎকে—এখন সময় বিজ্ঞান ও প্রস্তুতির।
Leave a Reply